জেলা

  • নির্বাচনের আগেই গেরুয়া ঝড় ধূপগুড়িতে। চিন্তা রঙ নিয়ে।


    TV22 নিউজ ব্যুরোঃ নির্বাচনের মাঝেই হোলি। তা-ই ভোটের গায়ে যে রঙ লাগবে, তা নিশ্চিত! কিন্তু কোন রঙ? বিশেষ করে এই বাংলায় যখন রঙ নিয়ে রংবাজি করাটাই রীতি। ধূপগুড়িতে এবছর নাকি হোলি উপলক্ষে ঝড়ের গতিতে বিকোচ্ছে গেরুয়া রঙ। কারণ কী তা জানা না গেলেও, ধূপগুড়ির ফালাকাটা রোডের ধারে এক রঙ বিক্রেতা জানান, এবার নাকি লাল, সবুজ রঙের চাহিদাই নেই ক্রেতাদের মধ্যে। তাঁর কথায়, "হোলির আগে সব রঙের আবিরই দোকানে মজুত করেছিলাম। পরিমাণে সবুজ আবির কিছুটা বেশিই এনেছিলাম। কিন্তু গেরুয়া বাদে সব রঙই প্রায় দোকানে পড়ে রয়েছে। বিক্রি হয় নি।" একই সুর শোনা গেল ধূপগুড়ি তৃণমূল পার্টি অফিসের উল্টোদিকে থানারোডের এক রঙ বিক্রেতার গলাতেও। তিনিও জানালেন, যে পরিমাণ গেরুয়া আবির দোকানে মজুত ছিল পুরোটাই বিক্রি হয়ে গিয়েছে। তুলনায় বিক্রি কম হয়েছে সবুজ আবিরের। অথচ বিগত বছরগুলিতে সবুজ আবিরের চাহিদাই তুঙ্গে ছিল। তা হোলিতে কোন রঙ বিকোবে তা নিয়ে TV22- র মাথাব্যথা কেন? প্রশ্ন স্বাভাবিক। কিন্তু ওই যে কথায় আছে, ভোট বড় বালাই। তাই নির্বাচন চলাকালীন এবার রঙের থুড়ি হোলির একটা আলাদা গুরুত্ব আছে বৈকি। না হলে ধূপগুড়ি পুরসভা আয়োজিত বসন্ত উৎসবই এবার এত ম্যাড়ম্যাড়ে কেন? উৎসবের র‍্যালিতে মেরেকেটে জনা তিরিশেক মানুষ। তাই রঙই যেন চিন্তাটা আরও বাড়াচ্ছে মশাই। ধূপগুড়ির বিজেপি নেতা কৃষ্ণ দেব রায়ের যুক্তি, "দেখবেন এই রঙ কিন্তু হোলিতে কম ব্যবহার হবে। সবাই গেরুয়া রঙ কিনে স্টক করছে ২ রা মে'র দিকে তাকিয়ে। জয় তো এবার একপ্রকার নিশ্চিত।" যদিও ধূপগুড়ির তৃণমূল নেতা ইভান দাসের দাবি, "হোলিতে মানুষ তাদের পছন্দের রঙ কিনতেই পারেন। তাতে ক্ষতি নেই। কিন্তু ১৭ এপ্রিল নির্বাচনের দিন কোনও 'রং ডিসিশন' যাতে তারা না নেয় সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের। কোনওভাবেই একচুল জমিও গেরুয়াবাহিনীকে আমরা ছাড়ব না।"

    -->


আপনার শহরে

  • বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন ধূপগুড়ির বিষ্ণুপদ

    TV22 ব্যুরোঃ বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন ধূপগুড়ির বিজেপি প্রার্থী বিষ্ণুপদ রায়। রবিবার দুপুরে ধূপগুড়িতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে "আপনাদের প্রোজেক্টেড মুখ্যমন্ত্রী কে?" এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু এমন দাবি করেন। তবে কিছুদিন আগে মাদারিহাটে দাঁড়িয়ে সায়ন্তন বলেছিলেন, বিজেপি জিতলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন মাদারিহাটের বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা। কিন্তু কেন এক এক জায়গায় এক এক রকম দাবি করছেন সায়ন্তন? সায়ন্তনের কথায়, আমাদের দলে একটিই পোস্ট আর বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট, এমনটা নয়। দলের যে কোনও জয়ি প্রার্থীই মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। ভোটের পর সংসদীয় কমিটি আলোচনায় বসে স্থির করবেন কে হবে মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি সহ দলের রাজ্য সভাপতি ও বিধায়করা থাকবেন৷ সায়ন্তনের আরও দাবি ২০০-র বেশি আসন নিয়ে এবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি।-->