রাজ্য

  • মহানন্দায় কুমীর!!

    নিউজ মালদাঃ করোনার মধ্যেই মালদায় ছড়াল কুমীরের আতঙ্ক। সোমবার মহানন্দা নদীতে কুমীর দেখা গিয়েছে বলে আতঙ্ক ছড়ায়। নদীতে ভয়ে স্নান করতে নামেন নি অনেকেই। একটি ভিডিও-ও ভাইরাল হয় যেটায় দেখা যায় একটি কুমীর মহানন্দা নদীতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।  ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দা নদীর গয়েশপুর , রেল কলোনি সহ বেশ কয়েকটি ঘাটে ওই কুমীরটিকে দেখা গেছে বলে বাসিন্দাদের কেউ কেউ দাবী করেন। আবার কারও বক্তব্য - একটি নয় বরং এক ঝাঁক কুমীর এসেছে মহানন্দায়। এই ভাইরাল ভিডিওর কথা জেনে খোঁজখবর নিতে শুরু করে বন দপ্তরের আধিকারিকরা। তবে এক আধিকারিক বলেন বিকাল পর্যন্ত এই ধরণের কুমীরের সন্ধান পান নি কর্মীরা। তবে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে নদীতে আদৌ কুমীর এসেছে কিনা।


জেলা

  • দুর্নীতির অভিযোগ থেকে ক্লিনচিট পাওয়ার সম্ভাবনা গুড্ডু সিংয়ের

    টিভি২২ ব্যুরোঃ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ধূপগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং ওরফে গুড্ডুকে কী সমস্ত অভিযোগ থেকে ক্লিনচিট দিচ্ছে দল? লাখ টাকার এই প্রশ্নকে ঘিরেই একুশের নির্বাচনের আগে ফের চাপা গুঞ্জন শুরু হয়েছে ধূপগুড়ির ঘাসফুল শিবিরে। সূত্রের খবর, শনিবার জলপাইগুড়িতে জেলা তৃণমূল নেতারা পিকের টিমের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এক বৈঠক করেন। সেখানে ডাকা হয়েছিল অভিযুক্ত ভাইস চেয়ারম্যান এবং ধূপগুড়ির বিধায়ক মিতালি রায়কে। তবে প্রায় চার ঘন্টা ধরে ওই বৈঠক চললেও কোনও সমাধানসূত্র আলোচনায় বের হয়ে আসেনি। এরপর রবিবার ফের বিষয়টি নিয়ে ধূপগুড়িতে তৃণমূল নেতারা নিজেরা আলোচনায় বসেন। অভিযুক্ত ভাইসচেয়ারম্যান বা ধূপগুড়িতে দলের কেউ ওই বৈঠক নিয়ে মুখ না খুললেও তৃণমূলের এক জেলা নেতা বলেন, ধূপগুড়িতে দলের বিধায়ক ও পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের মধ্যে বনিবনা নেই। যার জেরে স্থায়ি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সময় লাগছে।


    এদিকে গুড্ডু সিং ঘনিষ্ঠ ধূপগুড়িতে দলের একাংশের দাবি, দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই একাধিক অভিযোগে শোকজ খেতে হয়েছিল গুড্ডুকে। কাজ দেওয়ার বিনিময়ে ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন খাওয়া বা সরকারি টাকা হাতিয়ে দশ কোটির বাড়ি হাঁকানো- এসব মিথ্যা গল্প সাজানো হয়েছিল গুড্ডুর বিরুদ্ধে। যার জেরে গত জুন মাসে গুড্ডুর নামে শোকজ চিঠি আসে৷ তবে ওই চিঠিতে তোলা সমস্ত অভিযোগের উত্তর গুড্ডু সিং জেলা সভাপতিকে পাঠিয়েছেন বলে দাবি গুড্ডু ঘনিষ্ঠদের।


    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধূপগুড়িতে দলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেন, নির্বাচনের আগে দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটানোই মূল লক্ষ্য। সে কারণেই গুড্ডু সিংকে শোকজ করার ইস্যুটি যত তাড়াতাড়ি ধামাচাপা পড়বে ততই মঙ্গল। -->